কম্পিউটার সর্ম্পকে ধারণা
By অ্যাডমিন / 2023-01-02
আপনার কি কিছু জানার আছে ? +৮৮০ ১৬২ ৮৮৯ ১৪৫৭
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তি আমাদের সামনে উন্মুক্ত করে দিয়েছে অপার জ্ঞানভান্ডার। যোগাযোগ, লেখাপড়া, বিনোদন প্রায় সব ক্ষেত্রেই ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। বর্তমান বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সংখ্যা প্রায় ১০০ মিলিয়ন বা ১ কোটি। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬২ শতাংশ।
যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া। যেমন: ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম এবং লিঙ্কডইন এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আমাদের দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে একজন নতুন ফেসবুক ব্যবহারকারী যুক্ত হচ্ছেন, যা দেশের জন্মহারের চেয়েও বেশি। কখনো কাজের ক্ষেত্রে, আবার কখনো পুরনো বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে থাকি। যা আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন আমাদের উপকারে আসে, ঠিক তেমনি অনেক সময় অপকারের কাজেও ব্যবহ্রত হয়। ২০১৯ সালে ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরির অভিযোগ উঠে। আবার তার কিছু দিন আগে টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ করেছেন অনেকেই।
আজকাল সবার অনলাইন অ্যাকাউন্টই কমবেশি হ্যাকিংয়ের ঝুঁকির মধ্যে থাকে। আর এই হ্যাকিংয়ের হাত থেকে বাঁচার ভালো উপায় বলতে পারেন হ্যাকাররাই। হ্যাকারদের হাত থেকে কিভাবে বাঁচবেন, ঠিক কোন পদ্ধতি অবলম্বন করতে আপনার আইডিটি হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কমবে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব আজকে।
প্রথমত সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ অক্ষর, চিহ্ন, সংখ্যা প্রভৃতি মিলিয়ে জটিল ও দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। অনেকে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড বলতে নিজের ফোন নাম্বার ব্যবহার করে থাকে, এমন কাজও করবেন না। কারণ আপনার ফোন নাম্বার যেকোনো ভাবে সংগ্রহ করে নিতে পারে হ্যাকাররা। পাসওয়ার্ড একান্তই ব্যাক্তিগত তাই বন্ধু, পরিবার বা কাছের কারো কাছে এটি শেয়ার করা যাবে না। প্রতিটি ওয়েবসাইটের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করুন।
অনলাইন বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে দুই স্তর নিরাপত্তা বা টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করতে পারেন। ফেসবুক, গুগল, অ্যাপল, ড্রপবক্সের মতো অনেক সার্ভিসের ক্ষেত্রে এই দুই স্তরের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া রয়েছে। এই ফিচারটি চালু থাকলে নতুন কোনো ডিভাইসে লগ-ইন করার সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে যুক্ত মোবাইল নাম্বারে ওয়ান-টাইম-পাসওয়ার্ড (OTP) পাঠানো হয়।
যদি কোনো ঘনিষ্ট বন্ধু বা ফেসবুক বন্ধু মেসেঞ্জারে বা পোস্টে কিংবা ই-মেইলে কোন লিংক শেয়ার করে, তাহলে আপনার উচিত হবে লিঙ্কে ক্লিক না করা। এক্ষেত্রে তাকে আলাদা ভাবে অ্যাকাউন্টে নক করে জিজ্ঞেস করতে পারেন।
বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে রিকভারি অপশনে মোবাইল নাম্বারের পরিবর্তে ই-মেইল আইডি ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে ই-মেইলে তার নোটিফিকেশন চলে আসবে। এমনকি দ্রুততম সময়ে হ্যাকারদের কাছ থেকে অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করাও সম্ভব।
সব সময় ফোনের ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু রাখবেন না। হ্যাকাররা এ ধরনের সুযোগের জন্য ফাঁত পেতে থাকে। সব সময় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ চালু থাকলে হ্যাকাররা আগে কোন কোন নেটওয়ার্কে সক্রিয় ছিলেন তা জানতে পারে। সেই নেটওয়ার্কের ছদ্মবেশে নতুন নেটওয়ার্কে প্রতারনার ফাতঁ পাতে। ওই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়লে আপনার ফোনো অসংখ্যা ম্যালওয়্যার ঢুকিয়ে দেন, যা আপনার অজান্তেই ফোন থেকে তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু নির্বাচনে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ অপরাধ কর্মকান্ডে জড়িত কোনো ব্যাক্তি কিংবা হ্যাকার আপনার বন্ধু হয়ে ঢুকে পড়ে টাইমলাইনে স্প্যাম ছড়াতে পারে। আপনাকে বিব্রতকর পোস্টে ট্যাগ করতে পারে।
যে কোনো তথ্য বা পোস্ট আবেগি হয়ে শেয়ার করা যাবে না। আগে ভালোভাবে যাচাই করে তারপর শেয়ার করতে হবে। কারো ব্যাক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য আপলোড, শেয়ার বা ইনবক্সে পাঠাবেন না। কেউ পাঠালেও তাতে ক্লিক করবেন না।
By অ্যাডমিন / 2023-01-02
By অ্যাডমিন / 2022-10-12
By অ্যাডমিন / 2022-10-11
By অ্যাডমিন / 2022-10-11
By অ্যাডমিন / 2022-10-11
আরো আপডেটের জন্য আমাদের সাবস্ক্রাইব করুন